Skip to main content

এডিস মশা ও ডেঙ্গু (ডেঙ্গু জ্বর) সম্পর্কে সচেতনতা মূলক আলোচনা ওয়েলফশন মিটিং স্পট, পাঁচুয়া পূর্ব পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

WELFTION~ Human Welfare Association
Welftion ~ Human Welfare Association

এডিস মশা ও ডেঙ্গু (ডেঙ্গু জ্বর) সম্পর্কে ওয়েলফশন মিটিং স্পট, পাঁচুয়া পূর্ব পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকল শিক্ষার্থী ও অবিভাবকদের নিয়ে সচেতনতামূলক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সেখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ডেঙ্গু থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখা যায়। এবং করনীয় সম্পর্কে বক্তব্য প্রদান করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং ওয়েলশনার গণ। উপস্থিত ছিলেন শিক্ষার্থী উক্ত বিদ্যালয়ের কমিটি ও শিক্ষক শিক্ষিকা বৃন্দ । আলোচনার বিষয়বস্তু : ১. এডিস মশার বংশ নাশ করতে হবে। ২. প্রতিরোধ যেভাবে করতে হবে। ৩. ডেঙ্গু থেকে নিজেদের কে নিরাপদ রাখতে সচেতন হতে হবে। ৪. চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। ৫. নিদিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলতে হবে। ৬. ডেঙ্গু কিভাবে ছড়ায়। এই সব বিষয় তুলে ধরেন প্রধান শিক্ষক এম. এ আতাহার সাহেব। তাছাড়া ওয়েলফশনার গণ ডেঙ্গু সচেতনতার বিষয়ে বক্তব্য প্রদান করে। ওয়েলফশনের পক্ষ থেকে উপস্থিত সবাই কে জানাচ্ছি অসংখ্য ধন্যবাদ। অনুরোধ রইল এই সকল বর্তা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য... ®আয়োজনে ওয়েলফশন ~ মানবকল্যাণ সংঘ। https://youtu.be/EULecFEESBM প্রতিবেদন : ডেঙ্গুর ভাইরাস মানুষ থেকে মানুষের দেহে ছড়ায় মশার মাধ্যমে। মশাই এই রোগের একমাত্র বাহক। ডেঙ্গু ভাইরাস যে বিশেষ মশার মাধ্যমে ছড়ায়, তার নামও সবাই জানে—এডিস মশা। এডিস মশার দুই রকম প্রজাতি আছে। একটির নাম এডিস ইজিপ্টি ও অপরটি এডিস এলবোপিক্টাস। তবে আমাদের এই অঞ্চলে এডিস ইজিপ্টিই বেশি। এরা কামড়ায় সাধারণত দিনের বেলায়, বিশেষ করে শেষ বিকেলে। এডিস মশা একটু গৃহী ধরনের। পছন্দ করে আবদ্ধ জলাধার। এরা বাসাবাড়ির টবে, ফ্রিজের পেছনে জমে থাকা পানি, এসির পানি, কমোডে আটকে থাকা পানি ইত্যাদিতে বংশবিস্তার করে। রাস্তার খানাখন্দ, পড়ে থাকা পুরোনো টায়ার, যেকোনো রকমের পাত্র, জেরিক্যান, মোটকথা যেখানে পানি কিছুদিন জমে থাকতে পারে, সেখানেই এদের বসবাস ও প্রজনন। যেহেতু মশাই এই রোগের একমাত্র বাহক, সুতরাং মশার আবাস ও প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস করতে পারলেই এডিস নির্বংশ হবে সমূলে। ডেঙ্গু প্রতিরোধের সর্বোত্তম উপায় তাই এডিস মশার বংশ নাশ। তাই বসতবাড়ির এ রকম আবদ্ধ জলাধার ধ্বংস করতে হবে। ফ্রিজের বা এসির পানি দুই দিন পরপর পরিষ্কার করতে হবে। বাসার বারান্দায়, টেরিসে বা কার্নিশে খোলা টব থাকলে সেটা পরিষ্কার করতে হবে। রাস্তার আশপাশের খানাখন্দ ভরাট করে ফেলতে হবে। রাজধানীকে পরিচ্ছন্ন ও মশামুক্ত করতে সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব তো আছেই, কিন্তু নাগরিক হিসেবে আমাদের দায়ও কম নেই। এর আগেও আপৎকালে ও দুর্যোগে যেমন এ দেশের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নেমে এসেছে, এখন সময় এসেছে আবার। যথাযথ কর্তৃপক্ষের দিকে না তাকিয়ে পাড়া-মহল্লায় তরুণেরা দল বেঁধে নিজেরাই নেমে পড়তে পারেন এই কাজে। কাজগুলো করতে হবে ডেঙ্গু মৌসুম শুরুর আগেই। ডেঙ্গু মৌসুম মানে মে থেকে সেপ্টেম্বর—এই পাঁচ মাস। যাদের জন্য ডেঙ্গু জটিল হতে পারে শিশু, বৃদ্ধ ও গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে ডেঙ্গু রোগ জটিল হয়ে উঠতে পারে। আগে যারা আক্রান্ত হয়েছে, তারা দ্বিতীয়বার আক্রান্ত হলে জটিলতা বেশি হয়। এ রকম রোগীরা সহজে ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে আক্রান্ত হতে পারে। তাই শিশু, বৃদ্ধ ও গর্ভবতী মায়েদের জন্য দরকার বিশেষ সতর্কতা। তবে মনে রাখবেন, মাতৃদুগ্ধ পানের মাধ্যমে ডেঙ্গু ছড়ায় না। প্রতিরোধ যেভাবে এডিসের হাত থেকে বাঁচতে হলে দিনে ও রাতে যখনই ঘুমাবেন, মশারি খাটিয়ে ঘুমাবেন। ঘরে মশানিরোধক স্প্রে করবেন। গায়ে মাখার মশানিরোধক একপ্রকার ক্রিম পাওয়া যায়। তা-ও ব্যবহার করতে পারেন। শিশুদের ফুল স্লিভ পাজামা ও জামা পরাতে পারেন। এতে মশার কামড় থেকে কিছুটা রক্ষা পাওয়া যায়। শিশুরা বাইরে, স্কুলে, কোচিংয়ে পড়তে গিয়ে, গাড়ির মধ্যে বা খেলতে গিয়ে মশার কামড় খেতে পারে। তাই বাইরে যাওয়ার সময় ফুলহাতা জামা-প্যান্ট পরান, উন্মুক্ত অংশে রিপেলেন্ট ক্রিম মেখে দিন। অভিভাবকেরা স্কুল বা কোচিং কর্তৃপক্ষকে বলুন ঘরগুলো মশামুক্ত করার ব্যবস্থা করতে, জঙ্গল, আবদ্ধ পানি, ড্রেন পরিষ্কার করতে। এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে স্কুলের ছাত্রছাত্রী, শিক্ষকমণ্ডলী, অভিভাবক ও স্কুলের কর্মচারী—সবাই মিলে অংশ নিতে পারেন। জ্বর হলে এবার আসুন এ সময় হঠাৎ জ্বর হলে কীভাবে সচেতন হবেন এ বিষয়ে। এই সময়ে বাড়িতে কারও জ্বর হলে জ্বরের প্রথম দিনই চিকিৎসক দেখাবেন। জ্বরের মাত্রা যা-ই হোক, ডেঙ্গুর সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেবেন না। লক্ষণ নিয়ে মাথা ঘামাবেন না। লক্ষণ মিলিয়ে সব সময় জ্বর আসে না। উচ্চ মাত্রার জ্বর, গা–ব্যথা, মাথাব্যথা, র​্যাশ ইত্যাদি লক্ষণ ছাড়াও ডেঙ্গু হতে পারে। জ্বর কয়েক দিন হয়ে গেলে তারপর ডেঙ্গু অ্যান্টিজেন পজিটিভ হবে না। তাই শুরুতেই রক্তের সিবিসি (কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট) ও ডেঙ্গু এনএসওয়ান পরীক্ষা দেওয়া হয়। ডেঙ্গু এনএসওয়ান অ্যান্টিজেন সাধারণত জ্বরের প্রথম দিন থেকে তৃতীয় দিন পর্যন্ত পজিটিভ থাকে। তবে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশের ক্ষেত্রে ডেঙ্গু হওয়া সত্ত্বেও এই পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণকে গুরুত্ব দিতে হবে৷ যদি প্রথম কয়েক দিনের মধ্যে রক্ত পরীক্ষা না হয়ে থাকে, তারপরও রোগ নির্ণয়ের ব্যবস্থা আছে। রোগের লক্ষণ উপসর্গ, সিবিসি রিপোর্ট ও অ্যান্টিবডি দেখে চিকিৎসক ধারণা করতে পারবেন। তাই দেরি হলেও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। চিকিৎসক পরামর্শ দিলে তবেই হাসপাতাল ডেঙ্গু জ্বর শনাক্ত হলেই হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে, এ রকম নয়। শুরুতে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সেন্টার বা আপনার নিয়মিত চিকিৎসকের কাছে যাবেন। চিকিৎসক পরামর্শ দিলে তবেই হাসপাতালে ভর্তি করবেন। জ্বরের সঙ্গে অন্য জটিলতা, যেমন হৃদ্​রোগ, প্রেগন্যান্সি, পাতলা পায়খানা, অতিরিক্ত বমি—এসব থাকলে, রক্তচাপ স্বাভাবিকের চেয়ে কম থাকলে সাধারণত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রচুর তরল পান করুন জ্বরের শুরু থেকেই বাড়িতে প্রচুর তরল পান করবেন। প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লিটার। তরল মানে সাদা পানি, স্যালাইন, ডাবের পানি, ফলের রস, লেবুর শরবত ইত্যাদি। প্রস্রাব পর্যাপ্ত হচ্ছে কি না, সেদিকে লক্ষ রাখবেন। বাড়িতে ডেঙ্গু রোগীকে মশারির ভেতরে রাখুন। এতে পরিবারের অন্যরা রক্ষা পাবে। অহেতুক বারবার প্লেটলেট (প্লাটিলেট) কাউন্ট দেখে আতঙ্কিত হবেন না। প্লেটলেট কাউন্ট কমে গেলে চিকিৎসককে প্লেটলেট দেওয়ার জন্য পীড়াপীড়ি করবেন না। ডেঙ্গু রোগে খুব কম ক্ষেত্রেই প্লেটলেট ট্রান্সফিউশন দিতে হয়। একইভাবে ডেঙ্গু হওয়ামাত্র শিরায় স্যালাইন শুরু করতে হবে, তা-ও ভুল। অনেকে সরাসরি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে স্যালাইন শুরু করার জন্য জোর করেন। চিকিৎসককে নির্ভার হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করুন। অমুকে কী বলেছে, তমুক জায়গায় কী লেখা হয়েছে, এসব নিয়ে আতঙ্কিত হবেন না। ওভার ট্রিটমেন্ট বা অতিচিকিৎসা বিপদ ডেকে আনতে পারে। সতর্ক ও সচেতন থাকুন। চিকিৎসকের কাছ থেকে ভালো করে নোট নিয়ে নিন কী কী লক্ষণ থাকলে হাসপাতালে আবার নিয়ে যাওয়া দরকার। @Towfiq Sultan ডা. গুলজার হোসেন : রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ

Posted by কল্যাণ সংঘ on Sunday, August 25, 2019
How to Share With Just Friends How to share with just friends.
Posted by Facebook on Friday, December 5, 2014

Comments

Popular posts from this blog

ওয়েলফশন - কাপাসিয়া মিটআপ (আড্ডা) , অগাস্ট ২০১৯

ওয়েলফশন কতৃক  আয়োজিত ওয়েলফশনারদের এই নিয়মিত মিটআপটি সকলের জন্য উন্মুক্ত। অংশগ্রহণের জন্য কোনো নিবন্ধনের প্রয়োজন নেই। শুভেচ্ছা বিনিময় আর সেই সাথে ওয়েলফশন নিয়ে এ বছর কি কি করা যায় সেটাও আলোচনা করা হবে। অনুগ্রহ করে খেয়াল করুন এই আড্ডাটি ফর্মাল কোনো মিটিং নয়। বিষয়বস্তু   সাম্প্রতিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা ওয়েলফশনের পরবর্তী কাযক্রম ও কর্মসূচি বিষয় সংক্রান্ত আলোচনা নিবন্ধ সংক্রান্ত আলোচনা। ওয়েলফশন ~ মানব কল্যাণ সংঘ কর্তৃক আয়োজিত। ওয়েলফশন কাপাসিয়া মিটআপ, অগাস্ট ২০১৯ তারিখ ও সময়: ১৩ আগস্ট ২০১৯, ১৭:৩০–১৮:০৫ স্থান: ওয়েলফশন ~মিটিং স্পট (কারোর টেক), বর্জ্জাপুর, বারিষাব, কাপাসিয়া, গাজীপুর। ঠিকানা:  ওয়েলফশন মিটিং স্পট, বর্জ্জাপুর, বারিষাব, কাপাসিয়া, গাজীপুর, ঢাকা, বাংলাদেশ। অংশগ্রহণকারী [ ] রাকিব মৃধা : 01642588606 [ ] রাকিব হোসাইন : 01636727109 [ ] মাসুম : 01720674929 [ ] ইলিয়াস আহাম্মেদ : +8801610442900 [ ] রাসেল চৌধুরী  : 01781381856 [ ] সৌরভ : +8801814831407 [ ] ওয়াহিদুল্লাহ্ (হুজুর) : +8801766091822 [ ] তৌফিক...

Facebook Page

Press  alt  +  /  to open this menu Facebook Towfiq Home Create Friend Requests 1 Messages 1 Notifications Account Switcher Account Settings Page Inbox 18 Events Appointments Manage Jobs Notifications More additional tabs menu Edit Page Info Settings Help additional tabs menu Welftion @WELFTION Home Groups About Community Reviews Events Photos Videos Jobs Offers Posts Promote Visit Ad Center Liked Following Share More Visit Group About Edit Page Info GENERAL Category Social Club Edit Name Welftion Edit...